30 C
ঢাকা
7:03:19 pm, 26 October, 2020ইং, রোজঃ Monday
বর্তমান বার্তা
ক্রাইম জাতীয় দেশজুড়ে

খাদ্যে ভেজালের কারণে ৭ প্রতিষ্ঠানের লাইসেন্স বাতিল করেছে বিএসটিআই

নিম্নমানের পণ্য হিসাবে চিহ্নিত ৫২টি খাদ্যপণ্যের মধ্যে সাতটির উৎপাদক প্রতিষ্ঠানের লাইসেন্স বাতিল করেছে জাতীয় মান নিয়ন্ত্রণকারী সংস্থা বিএসটিআই।

এছাড়া প্রাণের ৩টিসহ আরও ১৮টি পণ্যের সনদ স্থগিত করা হয়েছে। ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে এসব পণ্য বাজার থেকে তুলে নিতেও বলা হয়েছে।

বুধবার বিকালে বিএসইটির পক্ষ থেকে এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। আদালতের নির্দেশে নিষিদ্ধ ৫২টি খাদ্যপণ্যের তালিকা থেকে ২৫টির বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক এ ব্যবস্থা নেয়া হল। পর্যায়ক্রমে আরও ২৭টি পণ্যের ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।

লাইসেন্স বাতিল হওয়া কোম্পানিগুলোর তালিকায় ড্রিংকিং ওয়াটারের মধ্যে আল সাফি ড্রিংকিং ওয়াটার, শাহারী অ্যান্ড ব্রাদার্সের নারজান ড্রিংকিং ওয়াটার, মর্ন ডিউ পিওর ড্রিংকিং ওয়াটার এবং আর আর ডিউ ড্রিংকিং ওয়াটার রয়েছে।
কেরাণীগঞ্জে শান্তা ফুড প্রডাক্টসের টেস্টি, তানি ও তাসকিয়া এবং কামরাঙ্গীরচরের জাহাঙ্গীর ফুড প্রডাক্টসের প্রিয়া ব্র্যান্ডের সফট ড্রিংক পাউডারেরও লাইসেন্স বাতিল করা হয়েছে।

এছাড়া মিরপুরের বনলতা সুইটস অ্যান্ড বেকারীর বনলতা ব্র্যান্ডের ঘি-এর লাইসেন্স বাতিল করা হয়েছে।

লাইসেন্স স্থগিত হওয়া পণ্যগুলোর মধ্যে রয়েছে সরিষার তেলে সিটি অয়েল মিল-গাজীপুর (তীর), গ্রিন ব্লিসিং ভেজিটেবল অয়েল-নারায়ণগঞ্জ (জিবি), শবনম ভেজিটেবল অয়েল-নারায়ণগঞ্জ (পুষ্টি), বাংলাদেশ এডিবল অয়েল-নারায়ণগঞ্জ (রূপচাঁদা); সুপেয় পানির মধ্যে আররা ফুড অ্যান্ড বেভারেজ (আররা), ডানকান প্রোডাক্ট (ডানকান), দিঘী ড্রিংকিং ওয়াটার (দিঘী); প্রাণ এগ্রো লিমিটেডের প্রাণ ব্র্যান্ডের লাচ্ছা সেমাই; হলুদের গুড়ার মধ্যে ড্যানিশ, প্রাণ ও ফ্রেশ। কারী পাউডারের মধ্যে প্রাণ ও ড্যানিশ; আয়োডিনযুক্ত লবণের মধ্যে এসিআই ও মোল্লা সল্ট; ধনিয়া গুড়ার মধ্যে এসিআই পিওর, নুডলসের মধ্যে নিউ জিল্যান্ড ডেইরির ডুডলস এবং চিপসের মধ্যে কাশেম ফুডের সান ব্র্যান্ড রয়েছে।

মনোন্নয়ন করে আবার লাইসেন্স গ্রহণের আগে এসব পণ্য উৎপাদন, সরবরাহ এমনকি খুচরা বিক্রি বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে এসব পণ্য বাজার থেকে প্রত্যাহারের নির্দেশ দেওয়ার পাশাপাশি এর সংরক্ষণ ও বাণিজ্যিক প্রচার বন্ধ করারও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

জানতে চাইলে বিএসটিআইর পরিচালক প্রকৌশলী এসএম ইসহাক আলী জানান, ভেজাল চিহ্নিত হওয়া ৫২টি পণ্যের সব ঢাকায় নয়। ঢাকার বাইরেও রয়েছে। তবে যেগুলো ঢাকায়, সেগুলোকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেয়া হয়েছিল।

এর মধ্যে ৭টি কোম্পানি নোটিশের জবাবই দেয়নি। তাদের লাইসেন্স বাতিল করা হয়েছে। আর ১৮টি কোম্পানি যে জবাব দিয়েছে, তাদের জবাবে আমরা সন্তুষ্ট নই। যে কারণে আপাতত তাদের লাইসেন্স স্থগিত করা হয়েছে। পর্যায়ক্রমে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

বিএসটিআইয়ের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, রোজা শুরুর আগে বাজারে গোপন অভিযান চালিয়ে ৪০৬টি পণ্যের নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছিল। এসব পণ্যের মধ্যে ৫২টি পণ্য নিম্নমানের হিসাবে চিহ্নিত হয় ল্যাবরেটরি পরীক্ষায়। সম্প্রতি সংশ্লিষ্ট বিপণন কোম্পানিগুলোকে এ নিয়ে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছিল।

এই ধরনের আরো খবর

সোনারগাঁয়ে জনস্বার্থে এস আই আজাদের প্রচেষ্টা অব্যাহত

বর্তমান বার্তা

তিনি এইচএসসি পাস, রোগী দেখেন বিশেষজ্ঞ ডাক্তার হিসেবে

বর্তমান বার্তা

প্রাইভেট পড়ে বাড়ি ফেরা হলো না ইমতিয়াজের

বর্তমান বার্তা
লোড হচ্ছে ....